ভবিষ্যৎ
২০২৬ সাল বা তার পরের কবিতায়
রক্ত শব্দটি অনেকবার বলা হবে।
যেমন পিরানহা মাছ
যেমন জলের ভেতর কেঁদে উঠবে লাল শিশু তিমি।
আর ব্রিজপার ঢেকে যাবে সৎ মেয়েদের গোসল,
আরো আরব আসবে, আরো জুলফিকারের ভেতর
খুলে যাবে সীমানা ও প্রাচীর।
তখন বুকের গাছে ভাষা একটি পাখি
উড়াল দেবে মায়ের সবুজ শাড়ি।
একটি সঙ্গীত কতো দূর বেজে- আবার রক্তপাতের চিঠি!
বন্দি করে থাকবে শাহজাহান তার পুত্র দারাশিকোহ
তারা জেনে যাবে শাহজাহান অমরত্ব চায় না নূরজাহানে
একটি যোনি-ধ্বংসের সকাল গড়িয়ে পড়বে আরো
হিন্দুস্তানে ।
জানালা
রিলকে, তোমাকে আমি মনে রেখেছি।
আহা রাইনার! রুটির আগুনে
পৃথিবী পুড়তে পুড়তে
যখন একটি গোলাপ
জানালার পাশে
কবর মাড়িয়ে ওঠে!
শীত
দূরত্বের কাফির থেকে হাত ধরার বাজি
কিছু আয়াত-নক্ষত্র হাঁসদুপুরে
কিছু ফুল পাপড়ির তলোয়ার
আঙুল কাটছে ঘুমিয়ে পড়ার নামে।
তোমার আজাদ হোক কাটা আপেলে
এত দূরে ডাকছে মসজিদের মিনার
তবুও হালকা বাতাসে ময়ুর ফোটার আলো।
লিখলাম এইসব ডানা
কারণ শীত শীত বলে
তুমি আমাকে ক্রমশ একটা নীল ক্বাসিদা!
আকাশের কথা যখন বন্দীর কাছে
শূন্য একটি সাদা
অপর কবিতা
অপর কবিতার ভূবনে বোকা মাছের চোখ
শূন্য করে অসীম হয়- গ্যালাক্সির বাইরে।
শব্দ- লুকোনো স্তন
শুধু আহ্বান করে আহ্বান করে।
তার দুধের দিকে দৌড়ে আসে
হাজারো কাছিম।
তাদের জিরাফের সমান গলা
তাদের মাজারে খুন হয়
চর্চা আর চর্যাবিনিশ্চয়!
সন্ধ্যা
গন্ধমাছিদের কিছু তরমুজ দিয়েছি
আড়ালে তুমি রক্তবীজের মেহজাবিন
আমার জেকেট খুলে দেখো
বন-মোরগের ঝুঁটি।
এমন সন্ধ্যায় চিঠিপড়াদের মুখ মনে আসে-
মা জানালা খুলেছে আর অমনি
সা সা করে মেথিকান্দা স্টেশন।
পাতার নিচে একটি রেললাইন
ভাইবোনদের যমজ। যাই বলে তাই
এক জন আর এক জনের আয়না!
বুকে ঝুম একটা জানালা খুলছে
আর গান শুনে উড়ে আসছে
কুবোপাখির এতিম!
Leave a comment