হাওয়া
ও হাওয়া আরো ক্ষীপ্র গতির বাহন হও,
তুমি বায়জিদ বোস্তামীর
আলখেল্লার মতো লম্বা হও।
আর আমার মায়ের কবরে যাও
তাকে ফাতিহা পৌঁছাও।
আমি দিব্য দেখতে পাই
পূর্ণিমার গোল চাঁদ
তার আলো-ঝরোকা
খুশিতে নাছতেছে-
আমাদের গ্রামের উঠোনে ।
বাঁশবাগানে পাখির ডানা ঝাপটানির শব্দ
ভাইসা আসতেছে কানে।
হাওয়া তুমি আমার ভেজা
দুই চোখ উড়ালে নিয়ে যাও
পরম স্মৃতিগুলি ঢেলে দাও
আমার মায়ের কবরে।
তাকে গোলাপের সুগন্ধ পৌঁছাও
আর আমার সালাম জানাও।
কবিতার ভেতরে
কবিতার ভেতরে গিয়ে আজান দিতে চাই।
কিন্তু কোনো মসজিদ পাই না বলে ফিরে আসি।
বারান্দায় গিয়ে আজান দিই ‘আল্লাহু আকবর’
‘আল্লাহু আকবর।’
দূরে দাঁড়িয়ে থাকে- বিদেশি পাইনগাছ।
বলে- যাও মিয়া, ঘরের ভেতরে যাও
নিজের ঘরে গিয়া বিবিরে চুমা খাও।
আমি নাছোড় বান্দা,
আয়াতে বিশ্বাস করি
কোরানের ভাষার মোজেজা বুঝি।
আবার ‘আল্লাহু আকবর’ বইলা
শাদা কাগজে কলম চালাই।
এইবার একটা লাল মসজিদ খুলে যায়
বাংলা শব্দ, বাক্য, রূপ, ছন্দ
উপমা আর উৎপ্রেক্ষার ভেতর।
সেখানে নামাজ পড়া শুরু করে
সাদা কাপড়ের মুসল্লি সকল।
আর দূরে কোথাও ভুভুজেলা বাজায়
‘স্বাধীনতা তুমি’র কবি
শামসুর রাহমান।
মায়া
পাখি একটা রেখেছি গান করে, শ্রাবণ কি এলো?
শোনো ঝুম বৃষ্টির সেতার।
সারাদিন ধরে ভেজা-রোদে জামা শুকানোর সংবাদ।
রোদে ফুটে উঠে- জামা থেকে জামার গোলাপ।
পাতা বেয়ে বৃষ্টি পড়ে যেন মাথা করে
কেউ নিয়ে আসলো আকাশ।
চিরদিন বুক মেলে স্নেহ চাই
যেমন মায়ের নামে স্নিগ্ধ বাতাসের ঘ্রাণ।
হাজারিবাগ হাজারিবাগ
কোথাও কি খুলে গেল সজনে ডাটার ডাল?
বহুদিন ধরে গাছের সবুজে বাড়ি যেতে চাই।
একটা নিমের ছায়া দেয়ালের ওপারে
দেখি- সকালের ডাকবাক্স থেকে শীত বিলি হয়।
স্কুল কি অনেক নীল?
নীল জামায় তাহমিনা খাতুন?
আহা সব নীল দূরে সরে যায়, দূর!
দূরে পাখির ডানায় রোল কল শুনি।
উপস্থিত উপস্থিত বলে হাত উঠাই।
ইয়াসরিব
মসজিদে নববী সবুজ পাখি হয়ে বসে আছে আমার বুকে।
আর তার মায়াবী ডানায় আলো মাখছেন রাহমাতুল্লিল আলামিন।
*
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শাদা কবুতরগুলির পালক ছুঁয়ে দিই।
যেন মা কানের কাছে দুরুদে ইব্রাহিম পড়ছে শীত-সকালে।
*
ঘন্টা বাজলে সব শহর মরে যায়। সব শহরের বন্ধ দরজা কপাট।
শুধু জিন্দা থাকে আমার রাসুলের ইয়াসরিব।
*
তোমার জন্য বুক হয়ে আছে ইয়াসরিব। ওগো মুজতাবা,
তুমি কি হেঁটে যাবে না বদরের দিকে? আমার বুক অপেক্ষায়
আছে তোমার মখমলি পায়ের।
(ইয়াসরিব- বর্তমান মদিনা মুনাওয়ারার আগের নাম)
ভাষার খলিফা
ভাষাকে ভাষার মত যদি পেয়ে যাই
আমার ভেতর জিন্দাকাব্য জাগে, তাই।
তাই লেখা হয় যা মর্মের ধ্বনি
আমি দেখি আমার কবিতা-লেখা
ঐশী ধার করে জাগে ভাষা-পিপাসা।
সেই প্রেমে বদ্ধ বুক খুলে যায়
শব্দ ও অক্ষরের মহিমায়
ভাষাতে স্বদেশ দেখি, ভাষার খলিফা।
যে ভাষাতে জন্ম নেয় রাসুল- দরদীবেশে,
দূর মহাদেশে।
তার কী মায়াবী সিলসিলা, ইয়া আল্লাহ!
তাকে মহব্বত করে ফকির ও রাজা।
আর দূর হিজরতে যায় সাহাবি।
বলি আহা ক্লান্ত, মশগুল মুসাফির
এত রাতে ঘোড়া চালিয়ে কোথায় চলে যাও?
তুমি কি শান্তি আনো- আওস আর খাজরাজে?
তুমি কি শেখাও ভাষানুর, নুর কালামে?
তাই প্রথম বিবাহ দল ও উপদলে।
আমি সেই ভাষাতেই যাই
আর মনি মুক্তা পাই!
ওগো ইয়াসিন- ওগো মুজতাবা আমাকে দেখাও
তোমার চন্দ্রমুখ। আমাকে দেখাও আদি-ঐশী লিপি।
যেদিন তোমাকে রক্ত ঝরায় তায়িফের লোক,
আমি কি দেব না বলো ভাষার অভিশাপ?
দেখো হাজারো পায়রা
কাবার ওপরে এসে পরে ইব্রাহিমের রঙ।
তারপর দুই ঠোঁটে ভাষা ছড়ায় দুনিয়া থেকে দুনিয়ায়!
নামাজে দাঁড়িয়ে
নামাজে দাঁড়িয়ে হয় কি আমার ফানাফিল্লাহ?
ইয়া আল্লাহ। মজবুত নই ঈমান ও আকিদায়,
আমি বোবা কালা!
হারিয়েছি সব, ফিরিয়ে দিয়েছি দিব্য- দুনিয়াদারি
আমার বৈঠকে বাজি ধরে- বিতারিত ইবলিস, শয়তান।
হয়েছি এমন মশগুল দাস, নামটিও মনে নাই
চারিদিকে শুনি বেশুমার- ক্বুলহু আল্লাহু আহাদ।
হাজির হয়েছি, নিজেকে ছাড়িয়ে পরেছি সাদা ইহরাম
দাঁড়িয়ে রয়েছি যেন মসজিদুল হারামে একেলা।
মাঝখানে ঘুরে ঘুরে আসে কালো গিলাবের কাবা।
দিল মাস্তানা, আজ খোলা- হাশরের দফতরখানা।
আসো তাকবিরে- রেখো না নিজেকে গোপনে
তাকিয়ে দেখছে- আমার সামনে আমারই- মাওলা।
আছে কাছাকাছি- শিরার মধ্যে নাফস আম্মারা
গোপন দরজা দিয়ে সদা ঢুকে- কামনা বাসনা।
পড়ছি আউযুবিল্লাহ পড়ছি আস্তাগফিরুল্লাহ-
নাফস দমিত, নাফস নিহিত, তোমার স্মরণে
রাহমানুর রাহিম আমার- ইয়া আল্লাহ।
কোরান শরীফের সামনে বসে
কী ভাষা তোমার প্রভু!
আমি তো আরবি-মুর্খ, মুক ও বধির!
জন্মেছি বাংলাদেশে, আজীবন বাংলা বলি, লিখি বাংলা
তোমার আশ্চর্য ঐশীবাণী আমি কীভাবে তামিল করি!
ভাবি- যদি অন্য ভাষায় তর্জমা করি, আমার হবে যে পাপ
কেননা ভাষার আছে ইতিহাস- মূলভাব, অর্থ
হারিয়ে যাবার অভিশাপ।
তাই শুধুই তাকিয়ে থাকি আরবি অক্ষরে
দুই চোখে নেশা লাগে, কী এক মায়াবী আওয়াজ!
মধু-ধ্বনি, সিনা ভেদ করে ঢুকে।
সেই ভালো তোমার ভাষাতে তোমাকেই যেন পাই
ভাষার বাইরে থেকে
আমি ভাষা-মালিকের আলোতে হারাই!
যখন নিজের ভাষা বন্ধ থাকে,
দেখি তোমার প্রভূত কারিশমা প্রভু
ইসমে আজমে ডুব দিয়ে- সকল দরোজা খোলা পাই।
এই শান্ত কিতাবের সামনে হাজির হলে
ভুলে যাই স্থান ও কালের ভেদাভেদ
যেনবা লাওহে মাহফুজ থেকে নেমে আসে লাখো শব্দ-নূর,
আমার সামনে দূর করে দেয় ভাব আর ভাষার বিভেদ।
আমি অক্ষরের নুরেতে মশগুল,
ধা ধা করে উঠছে ক্বলব
যেন জন্ম, মত্যু পেরিয়ে চলেছি-
কাল অতিক্রম করেছে মানসলোক!
এ কোন পঠন প্রভু, আমি তো অবোধ বান্দা, তৃষ্ণার্ত আবিদ,
তুমি যদি না শেখাও আমি তো হবো- অন্ধ ও জালিম।
দয়া করে খুলে দাও বুক, ভেঙ্গে দাও গুপ্ত-ভাষার প্রাচীর
আমার হদয়-চক্ষু দিয়ে পড়ে নিতে চাই কালাম- অধীর ।
মুখ
নিউলিথ যুগের পাথর ফুঁড়ে বেরিয়ে আসবে তোমার মুখ।
আমি তাকিয়ে থাকবো আমার চোখের পলকও পড়বে না।
আমি তাকিয়ে থাকবো- যেন গুলিবিদ্ধ তিমি আমার চোখ।
রক্ত ঝরছে অবিরত, তোমার মুখের নামে খুলে পড়ছে হাড়।
আমি দেখবো- কোথাও শিলাখণ্ড পড়ছে, কোথাও সূর্য খণ্ড হচ্ছে
উপত্যকা ধরে ফিরে আসছে- সন্ধ্যার শিকারি নিয়ান্ডারথাল।
পাতালের সূচিমুখ থেকে বেড়িয়ে আসবে- শান্ত তোমার মুখ।
আমি তাকিয়ে থাকবো- আমার চোখের কালো মণিটিও নড়বে না।
আমি তাকিয়ে থাকবো- দেখবো কোথাও সমুদ্র উঠছে পাহাড়ে
কোথাও লাফিয়ে আসছে- মা হারানো বোকা-মাছেদের দল।
বাংকারের স্তব্ধ প্রহর ভেঙে হাওয়ায় কাঁপছে- তোমার মুখ
আমি তাকিয়ে থাকবো। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তাবু গেড়ে শত্রু যেখানে
ক্রলিং করে কামানের শেষ আগুন ছুড়ছে- আমি তোমাকে দেখবো।
আমি আগুন থেকে লেলিহান শিখায়- দাউ দাউ করা উজ্জ্বল
সুন্দর- তোমাকে দেখবো- আমার চোখের পলকও পড়বে না ।
ভবিষ্যৎমুখি কবিতা
ভবিষ্যৎমুখি কবিতা। তুমি কি জানো ভবিষ্যৎমুখি কবিতা কী?
ভবিষ্যৎমুখি কবিতা হইলো সেই কবিতা যেখানে আল্লাহ
এবং রাসুলের কথা থাকে। যেখানে মসজিদের ইশারা থাকে,
মুয়াজ্জিন আইসা আজান দেয় এবং মুসল্লিরা পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ আদায় করে। আমি চর্যাপদ, শ্রী কৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব
ইত্যাদি কবিতা-নদী পার হয়ে, বাংলা আধুনিক কবিতার ভেতর
দিয়া হিজরত করে আসছি বিশ্বাসী কবিতার মাহফিলে।
আমার সঙ্গে আছেন বিগত দিনের মুসলমান কবিরা,
আছেন নতুন যুগের ঈমানদার সেনানি- আছে বাংলা
কবিতার সম্ভাব্য খিলাফা। তার জন্য আমি বাংলা, আরবি
ফারসি, তার সাথে মিশে থাকা ইসলামিক সঙ্গ ও অনুষঙ্গ,
ইতিহাস-ঐতিহ্য, চিত্রকল্প, রূপ ছন্দ নিয়া কবিতা-বদরে
দাঁড়াইছি, দেখো। আসো- কে আছো, একে একে আসো।
বাংলা কবিতার উতবা, সায়বা, খালাপ, আবু জাহেল আসো,
যদি কেড়ে নিতে চাও বাংলা-মুসলমানি কবিতার শেকড় বাকড়
তার গাছ গাছালি, ফল ফলাদি- তাহলে আসো। আমাদের প্রতিটি শব্দ
আজ দুধারি ধারালো তরবারি, আমাদের প্রতিটি বাক্য, চিত্রকল্প আজ
ইস্পাতের খঞ্জর। আজ হয় এই ভবিষ্যৎমুখি কবিতার ইমারত
প্রতিষ্ঠা হবে, না হয় মৃত অতীত এসে ভূতের মতো আছর করবে
বাংলা কবিতায়- তার একটা ফয়সালা হবে।
ইচ্ছা
আমাকে পরাইয়া দিও
লা ইলাহা ইল্লালাহ’র কাপড়।
যা মনে ধরেছি
তাই যেন থাকে বাহিরেও।
আমাকে চিনতে যেন
ফেরেস্তাদের দেরী না হয়।
এই বাক্য যেন হয়
আমার শাফায়াত জান্নাত প্রবেশে।
কালেমা তাইয়িবার
গন্ধে মাতোয়ারা আমার হদয়।
এমন আপন করে
কারো আর ভালোবাসি নাই
আমার কলিজা যদি কাটো দুই ভাগে
তার ছাপ তুমি পাবে দেখতে নিশ্চয়।
তাওহীদের খুশবু আর আলো দিয়ে
ভরে যায় যেন আমার কবর।
হানিন
আমাকে তুমি তোমার আয়াতে নিয়ে যাও।
তোমার শব্দ, চিহ্ন, অক্ষর- তোমার অক্ষরের নিচে
গাঢ়, নীল মরুদ্যানে নিয়ে যাও।
আমাকে বাকহীন করে তোলো
আমার সমস্ত হায়াতে লাগুক বসন্ত
তোমার সুন্দরের পাশে।
আমি দুনিয়ার সব ভাষা হারিয়ে ফেলতে চাই
তোমার উপস্থিতির ভাষায়।
আমি তোমার সামনে বসে থাকবো
আর দেখবো একটা সাদা পায়রা উড়ে
এসেছে বাগদাদের বাগান থেকে।
আমি দেখবো আমার স্মৃতিগুলি পাখি হয়ে যায়
তোমার উড়ন্ত হিজাবে।
আমি ঘরে ফেরার কথা ভুলে যাবো,
আমি দেখবো একটা বাগান খুলছে
তোমার নামের মাঝখানে।
ভোরের মসজিদ যেমন খুলে দেয়
তার দরজা আবিদের বুকের মাঝখানে
আমাকে সেভাবে তোমার দরজা খুলে দাও।
আমি গন্ধ-পির হয়ে বিলিয়ে দেবো
আমার সমস্ত কবিতা-গোলাপ।
মুমিন
তোমাকে দেখেছি মসজিদে আজান দিতে।
তোমার মুখ থেকে ঝরে পড়ে
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ- মোহাম্মদুর রাসুলাল্লাহ’র আলো।
তুমি ঘন কুয়াশার পথ ধরে আসছো ধান ক্ষেতে।
তোমাকে আগলে রাখছে আলপথের সবুজ
ঘাসের ফোয়ারা। তুমি ঝর, বৃষ্টি, খরা, বন্যা উপেক্ষা
করে কালো মাটিতে ফলাও সোনার ফসল ।
আবার দল বেধে ভাত খাও, নামাজ পড়ো ।
তাসবিহ হাতে আল্লাহ, আল্লাহ জিকির করে
কখনো বা ঘুমিয়ে পড়।
তোমাকে দেখছি হাজি শরীয়াতুল্লাহর ডেরায়
শহীদ তিতুমীরের বাঁশের কেল্লায়।
তোমাকে দেখছি ১৯৭১ সনে ৭ মার্চে,
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে কেঁপে উঠতে ।
যেখানেই জুলুম থাকে সেখানেই তুমি
তুমি ইতিহাসের প্রথম বিদ্রোহী।
তোমাকে দেখছি বখতিয়ার খিলজির
ফৌজের সাথে, তোমাকে দেখছি
শেখ শাহজালালের সাথে এক হয়ে যুদ্ধ করতে।
তুমি বাংলা বাংলা বলে সেনদেরকে তাড়িয়ে দিয়েছ।
তুমি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে চিৎকার করছো এমন
যে মনে হয় তোমার সামনে বদরের মাঠ হাজির।
তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে সূর্য ওঠে
তোমার বুকের দিকে তাকিয়ে যুদ্ধ চলে।
সন্ধ্যা হলে তুমি সুললিত কন্ঠে কোরান পড়।
সুরাহ ইয়াসিন পড়তে পড়তে
তোমার চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ে।
ছেলেমেয়েদের কাছে তুমি নবীজীর জীবন কাহিনী
তুলে ধর। হযরত বিলালের করুণ কাহিনি
বলতে বলতে তুমি কান্না করো। তুমি সাহাবিদের গল্প,
খুলাফায়ে রাশেদিনের ইতিহাস বলো- খুব দরদ দিয়ে।
তুমি সুলতানি আমল থেকে ব্রিটিশ আমল,
ব্রিটিশ আমল থেকে অখণ্ড ভারত, তারপর
পূর্ব পাকিস্তানে তুমি বাংলা ভাষাকেই চাইছো-
তোমার মুখের ভাষা। তুমি ভাষার জন্য লড়াই করো
মজলুম হয়ে। তুমি বাঙালি মুসলমানের বাংলা ভাষা-দরদ।
তুমি যখন নামাজে দাঁড়াও তখন একটা পবিত্র ঘ্রাণ
বার হয় চারপাশ থেকে। মানুষের ভিড়ে তোমাকে
দেখলে আমার আল্লাহর কথা মনে পড়ে।
কবির নামাজ
প্রথম প্রকাশঃ বইমেলা ২০২৪
প্রকাশকঃ ঘাসফুল
প্রাপ্তিস্থানঃ ঘাসফুল ফেসবুক পেইজ
ফোনঃ ০১৭২৯- ৬৮ ০৯ ০৮,
০১৮৭৪- ২৩ ৮৩ ৫২
রকমারি ডট কম
Leave a comment